
কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে নতুন সম্ভাবনার পথে মাজদিয়া বাবুল উলুম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাজদিয়া বাবুল উলুম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে এসেছে নতুন নেতৃত্ব। মাদ্রাসার প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) উপ-রেজিস্ট্রার, কৃষিবিদ মো. মনোয়ারুল ইসলাম। তিনি বিদায়ী সভাপতি মো. রফিউদ্দিন খান-এর স্থলাভিষিক্ত হলেন।
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে এবং সহকারী রেজিস্ট্রার মো. শাহ নেওয়াজ-এর স্বাক্ষরিত ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখের আদেশে বিদ্যমান গভর্নিং বডির অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য তাকে এ দায়িত্ব প্রদান করা হয়।
কৃষিবিদ মো. মনোয়ারুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-রেজিস্ট্রার হিসেবে সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সম্পর্কে তার গভীর জ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে। একজন দক্ষ সংগঠক, সৎ প্রশাসক এবং দূরদর্শী শিক্ষাবিদ হিসেবে তিনি ইতোমধ্যেই ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীদের মতে, একজন কৃষিবিদের নেতৃত্ব শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আধুনিক কৃষি, পরিবেশ সচেতনতা, আত্মকর্মসংস্থান এবং উৎপাদনমুখী শিক্ষার প্রতি আগ্রহ তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তার অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কৃষির প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে বলে তারা মনে করেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই কৃষি উন্নয়নে দক্ষ কৃষিবিদদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তবতায় কৃষিবিদ মনোয়ারুল ইসলামের মতো একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তির নেতৃত্ব মাদ্রাসাটিকে শিক্ষা ও নৈতিকতার পাশাপাশি উৎপাদনমুখী চিন্তা, কর্মমুখী শিক্ষা এবং সমাজসেবায় অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন এলাকাবাসী।
নবনিযুক্ত সভাপতি মো. মনোয়ারুল ইসলামকে অভিনন্দন জানিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সর্বস্তরের মানুষ আশা প্রকাশ করেছেন, তার সততা, প্রজ্ঞা, কৃষি-ভাবনা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে মাজদিয়া বাবুল উলুম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা শিক্ষা, মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি অনুসরণীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।