1. live@www.thottatoronggo.com : www.fnnews24.com www.fnnews24.com : www.fnnews24.com www.fnnews24.com
  2. Rubina@thottatoronggo.com : তথ্যতরঙ্গ : তথ্যতরঙ্গ
  3. info@www.thottatoronggo.com : তথ্যতরঙ্গ :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গ্যাস সংকটে ফুয়াং ফুডের কারখানায় ছয় মাসের লে-অফ বিজেএমসির বিরুদ্ধে অবৈধভাবে রেস্টুরেন্ট বন্ধের অভিযোগ, কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি মাঠের রাজনীতি থেকে বঙ্গভবন: মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পরিণতি মিরপুরে তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জে বিআইডব্লিউটিসির সম্পদ পরিদর্শনে চেয়ারম্যান ড্যানী অব্যবহৃত জমি-স্থাপনা কাজে লাগিয়ে আয় বাড়ানোর উদ্যোগ, উন্নয়নের প্রত্যাশায় শ্রমিক-কর্মচারীরা রূপালী মৎস্যে সমৃদ্ধির স্বপ্ন: বরিশালে পোনা অবমুক্তকরণ ও সফল চাষিদের সম্মাননা বাকেরগঞ্জে মৎস্যচাষে নতুন সম্ভাবনা, জাতীয় মৎস্য পক্ষ ঘিরে প্রাণবন্ত আয়োজন আধুনিক সড়ক, উন্নত প্রযুক্তি—তবুও থামছে না মৃত্যুর মিছিল

স্বাধীন দেশে নারীর নিরাপত্তা কোথায়? ধর্ষণ-হত্যার বিচারহীনতায় ক্ষুব্ধ ৬৪ জেলার মানুষ

রুবিনা শেখ
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত দেশে নারী ও শিশু ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা ও যৌন সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ও জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ বাস্তবতা, যেখানে নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে দেশের নারী ও শিশুরা।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্র এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে অসংখ্য নারী ও শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। একই সময়ে শিশু ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনাও বেড়েছে আশঙ্কাজনকভাবে।

মানবাধিকার সংস্থা Human Rights Support Society (HRSS)-এর ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নারী ও শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা, ধর্ষণ ও হত্যার বহু ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ পায়।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসেই অন্তত ৪৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে ২৪ জনই ছিল শিশু। একই মাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনাও ঘটে দেশের বিভিন্ন জেলায়।

অন্যদিকে, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে অন্তত ১৬৫ শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষক, প্রতিবেশী ও নিকটাত্মীয়দের হাতেই অধিকাংশ শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে—যা সমাজের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।

সাম্প্রতিক সময়ে পল্লবী এলাকায় শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় নতুন করে শিশু নিরাপত্তা ও বিচারহীনতার বিষয়টি সামনে আসে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, বিচারহীনতার সংস্কৃতি বন্ধ না হলে এ ধরনের অপরাধ আরও বাড়বে।

বিভিন্ন প্রতিবেদনে যেসব জেলা ও এলাকায় ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বেশি আলোচনায় এসেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা, নরসিংদী, পাবনা, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ।

মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, দেশে অনেক ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক লজ্জা, ভয় এবং বিচার না পাওয়ার আশঙ্কায় প্রকাশই পায় না। ফলে প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশিত পরিসংখ্যানের চেয়েও বেশি হতে পারে।

এদিকে সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। ৬৪ জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা দ্রুত বিচার, কঠোর শাস্তি এবং আইনের কার্যকর প্রয়োগ চান। অনেকেই বলছেন, “আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, কিন্তু নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারিনি—এটা জাতির জন্য লজ্জা।”

সমাজের একাংশে এখনো নারীর পোশাক বা চলাফেরাকে দায়ী করার প্রবণতা দেখা যায়। তবে প্রশ্ন উঠছে—তিন, চার, পাঁচ কিংবা নয় বছরের শিশু কেন ধর্ষণের শিকার হচ্ছে? এই প্রশ্নের কোনো গ্রহণযোগ্য উত্তর নেই, যা সমাজের নৈতিক অবক্ষয়কেই সামনে নিয়ে আসে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু আইন থাকলেই হবে না, তার দ্রুত ও দৃশ্যমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সামাজিক সচেতনতা, পরিবারিক শিক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় কঠোর অবস্থান ছাড়া এই পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয়।

দেশজুড়ে একটাই দাবি জোরালো হচ্ছে—
ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতা এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে, নইলে এই অন্ধকার থেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট