নদীভাঙনে গৃহহীন পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ, চরগোপালপুর-আলিমাবাদে স্বস্তির প্রত্যাশা

বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চরগোপালপুর ও আলিমাবাদ ইউনিয়নের নদীভাঙনকবলিত মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তেতুলিয়া, কালাবদর ও আশপাশের নদ-নদীর ভাঙনে বহু পরিবার ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
সম্প্রতি চরগোপালপুর ইউনিয়নের জালিরচর গ্রামে নদীভাঙনে শতাধিক পরিবার গৃহহীন হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। ভিটেমাটি হারিয়ে অনেকে অন্যের জমি বা বাগানে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে জরুরি খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
এদিকে বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান মেহেন্দিগঞ্জ ও হিজলা এলাকার মানুষের নদীভাঙনসহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। তাঁর নির্বাচনী অগ্রাধিকারের মধ্যেও টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। সরকারি তথ্যেও তাঁকে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, চরগোপালপুর ও আশপাশের এলাকায় নদীভাঙনের পরিস্থিতি দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগজনক। ২০২৫ সালেও চরগোপালপুর ইউনিয়নসহ মেহেন্দিগঞ্জের কয়েকটি এলাকা নদীভাঙনের ভয়াবহ ঝুঁকিতে থাকার খবর প্রকাশিত হয়েছিল।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানকে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে সরাসরি সহায়তা প্রদান করতে দেখা যাচ্ছে—এমন দাবি থাকলেও, ছবিটির স্থান, সময় এবং সহায়তা প্রদানের নির্দিষ্ট ঘটনার বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করার মতো সরকারি বা নির্ভরযোগ্য সংবাদসূত্র পাওয়া যায়নি। ফলে ছবিটিকে কেন্দ্র করে অতিরঞ্জিত দাবি না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করাই সাংবাদিকতার দিক থেকে নিরাপদ।

নদীভাঙনে সর্বস্ব হারানো পরিবারগুলোর দাবি, তাৎক্ষণিক ত্রাণের পাশাপাশি তাদের পুনর্বাসন, বসতভিটা রক্ষা এবং স্থায়ী নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।