প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১০, ২০২৬, ৯:৫৯ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১৮, ২০২৬, ৭:০১ এ.এম
মানবতার আলোয় উজ্জ্বল এক নাম: অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিন আজ সমাজসেবা, মানবিকতা ও সৃজনশীলতার এক উজ্জ্বল প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর আজ জন্মদিন (১৮ জুন)। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। ১৯৭৯ সালের এই দিনে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল এলাকায়। পিতা দেওয়ান মো. সাইদুর রহমান এবং মাতা লুৎফা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার সায়দাবাদে নিজ বাসভবনে বসবাস করছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ভ্রমণ তাঁর অন্যতম প্রিয় অনুষঙ্গ। দেশ-বিদেশের নানা ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান ভ্রমণের মাধ্যমে তিনি জীবনের আনন্দ ও শিক্ষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। ভিন্ন সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে তিনি নিজের মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মনে করেন। অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন সফল সংগঠক, সমাজসেবী ও মানবাধিকারকর্মী। তিনি বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ)-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি এস আর মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউজের স্বত্বাধিকারী, এস আর ক্রীড়া সংঘের সভাপতি এবং এস আর ‘ল’ অ্যাসোসিয়েট-এর হেড অব চেম্বার হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব প্রশংসিত। এছাড়াও তিনি লায়ন্স ক্লাব, ফিল্ম ক্লাব এবং টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, আর জে এফ-এর উপদেষ্টা এবং হাস্যউজ্জ্বল ফোরাম (হাউফো)-এর কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তাঁর দানশীলতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রশংসিত। মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা মনে করেন। শিক্ষা বিস্তার, মানবিক মূল্যবোধের উন্নয়ন এবং একটি সচেতন সমাজ গঠনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার আন্দোলনে তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একজন দৃঢ় কণ্ঠস্বর। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসী অবস্থান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় তাঁকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে। একজন কবি ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তাঁর রয়েছে স্বতন্ত্র পরিচিতি। তাঁর লেখনীতে মানবতা, ভালোবাসা, সমাজের বাস্তবতা এবং জীবনের গভীর অনুভূতির প্রতিফলন ঘটে। সফল প্রযোজক হিসেবে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু কেবল একটি নাম নয়; তিনি মানবিকতা, সততা, সাহস, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবার এক জীবন্ত প্রতীক। তাঁর কর্মময় জীবন ও মানবকল্যাণে নিবেদিত প্রচেষ্টা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, শান্তি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। মানবতার পথে তাঁর এই আলোকিত যাত্রা আরও দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ হোক—এই প্রত্যাশাই সবার।
মানবতার আলোয় উজ্জ্বল এক নাম: অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিন আজ
সমাজসেবা, মানবিকতা ও সৃজনশীলতার এক উজ্জ্বল প্রতীক অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর আজ জন্মদিন (১৮ জুন)। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং নানা সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
১৯৭৯ সালের এই দিনে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর গ্রামের বাড়ি মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল এলাকায়। পিতা দেওয়ান মো. সাইদুর রহমান এবং মাতা লুৎফা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার সায়দাবাদে নিজ বাসভবনে বসবাস করছেন।
ব্যক্তিগত জীবনে ভ্রমণ তাঁর অন্যতম প্রিয় অনুষঙ্গ। দেশ-বিদেশের নানা ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান ভ্রমণের মাধ্যমে তিনি জীবনের আনন্দ ও শিক্ষাকে সমৃদ্ধ করেছেন। ভিন্ন সংস্কৃতি ও মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়াকে তিনি নিজের মানসিক বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মনে করেন।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন সফল সংগঠক, সমাজসেবী ও মানবাধিকারকর্মী। তিনি বাংলাদেশ তৃণমূল সাংবাদিক ফোরাম (বিটিএসএফ)-এর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি এস আর মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউজের স্বত্বাধিকারী, এস আর ক্রীড়া সংঘের সভাপতি এবং এস আর ‘ল’ অ্যাসোসিয়েট-এর হেড অব চেম্বার হিসেবে তাঁর নেতৃত্ব প্রশংসিত। এছাড়াও তিনি লায়ন্স ক্লাব, ফিল্ম ক্লাব এবং টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য, আর জে এফ-এর উপদেষ্টা এবং হাস্যউজ্জ্বল ফোরাম (হাউফো)-এর কো-চেয়ারম্যান হিসেবে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তাঁর দানশীলতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রশংসিত। মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা মনে করেন।
শিক্ষা বিস্তার, মানবিক মূল্যবোধের উন্নয়ন এবং একটি সচেতন সমাজ গঠনে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষা, নৈতিকতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুবসমাজকে ইতিবাচক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার আন্দোলনে তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে একজন দৃঢ় কণ্ঠস্বর। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর সাহসী অবস্থান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দৃঢ় প্রত্যয় তাঁকে সাধারণ মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।
একজন কবি ও সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব হিসেবেও তাঁর রয়েছে স্বতন্ত্র পরিচিতি। তাঁর লেখনীতে মানবতা, ভালোবাসা, সমাজের বাস্তবতা এবং জীবনের গভীর অনুভূতির প্রতিফলন ঘটে। সফল প্রযোজক হিসেবে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।
অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু কেবল একটি নাম নয়; তিনি মানবিকতা, সততা, সাহস, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবার এক জীবন্ত প্রতীক। তাঁর কর্মময় জীবন ও মানবকল্যাণে নিবেদিত প্রচেষ্টা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, শান্তি ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। মানবতার পথে তাঁর এই আলোকিত যাত্রা আরও দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ হোক—এই প্রত্যাশাই সবার।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত